Wellcome to National Portal
মেনু নির্বাচন করুন
Main Comtent Skiped

শিরোনাম
2নং গাইন্দ্যা ইউনিয়নের ছাবকছড়া ঝর্না(পোয়াইতু পাড়া)
স্থান
২নং গাইন্দ্যা ইউনিয়ন পোয়াইতু পাড়া
কিভাবে যাওয়া যায়
উপজেলা সদর হতে প্রায় ১০ কিলিমিটার দুরে। পায়ে হেটে যেতে হয়। কলেজ রোড দিয়ে যাওয়া যায়। পোয়াইতু পাড়ায় পৌছে। আবার পায়ে হেটে কিছু দুরে
বিস্তারিত

প্রাকৃতিক সৌর্ন্দয্য পাহাড় পর্বZ †Niv ivsMvgvwUi ivR¯’jx Dc‡Rjvq kZ eQ‡ii wb`©kb ¯’vb¸‡jv Aবহেলিত পড়ে আছে৷ কয়েক শত বছরের আগে এসব স্থানগুলো নিয়ে নানা ধরনের লোকজ কাহিনী ছিল৷ আর এ কাহিনী নিয়ে নানারুপ রেখা বর্ণbv K‡i MÖv‡gi `v`v-`v`xiv bvwZ, bvwZbx‡`i Nyg cারাতেন৷ কালের ক্রমে এ স্থানগুলো নিজেদের বৈচিত্র হারিয়ে যেতে বসেছে৷ সভ্য সমাজের শিক্ষিত ব্য িক্তরা এ কাহিনীকে আর বিশ্বাস বা মূল্যায়ন করছে না৷ তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, রাজস্থলীর এসব নিদর্শb ¯’vb †Kv_vq wKfv‡e Ae¯’vb Ki‡Q| 3bs ev½vjnvwjqv BDwbq‡bi KvKovQwo ‡iv‡W cv‡k¦© &ঋষি মনিষী ধ্যানের স্থান৷ ঋষি ডং (ঋষি পাহাড়) নামে পরিচিত৷ সেখানে অধিবাসী মারমা প্রবীনদের সাথে আলাপকরে জানা যায়, দুই শত বছরের পূর্বGLv‡b GK Fwl a¨vb Ki‡Zb|  GLvbKvi gvbyl Zv‡K েcুজাঁ দিয়ে রাখতো৷ তত্সময় মানুষের বিপদ, অসুধ, বিসুখ, রোগ মু িক্তর একমাত্র তিনি দেখ ভাল করতেন৷ মনিষী ঋষি চলে যাওয়ার পর এখন নিদর্শb ¯’vb wn‡m‡e M‡o Av‡Q| GL‡bv wewfbœ gvbyl †রাগ মু িক্তর কামনার জন্য সেখানে গিয়ে পুজাঁ করছে৷ গাইন্দ্যা ৫নং ইসলামপুর বাজার এলাকা ক্যক-ব- ডং (পাথর খ িদত ঝুড়ি) নামে একটি ঝিড়ির মধ্যে স্থান রয়েছে৷ ২নং গাইন্দ্যা ইউনিয়নের সদস্যা আরেমা মারমা বলেন, তার দাদা-দাদীর মুখে গল্প শুনতেন৷ গভীর অরন্যে জঙ্গলে বাঘ, ভালুককে এড়িয়ে সেখানে মানুষ নানা চাহিদা পুরণের জন্য প্রার্থbv Ki‡Z †hZ| Afve AbUb e¨w³iv †Kv_vI Abyôv‡bi hাওয়ার জন্য পোষাক, সোনা, গয়নাসহ বিভিন্ন উপকরন ধার করতেন৷ আবার নির্ধারিত সময়ে সে গুলো জমা দিত৷ রাজস্থলীর আসলে আসমানী পাহাড় দৃশ্য বলবে, আপনি এক অজানা লোকালয়ে এসে পৌঁেছছে৷ উপজেলার সবচেয়ে কাছে টপহিল  (পোয়াইতু পুর্নevmb cvov) cÖvq AvU kZ dzU DPz cাহাড়টি রাজস্থলী উপজেলা চতুর দিকে সীমান্ত দেখা মিলে৷ দিনের শেষে বসে দেখলে তিন কিলোমিটার আয়তনকে একটি গ্রামের চিত্র মনে করবে৷ রাজস্থলী  ছাং খিয়াং ( হাতির নদী) আকাঁ, বাকা ঝর্না ধারে পাথর খ িদত হাতি পরিবার যেন চেয়ে আছে, মানুষ আর হাতি কখন পুজাঁ দিতে আসবে৷ এখনো সেখানে প্রতি তিন বছর অন্তর বিভিন্ন স্থান থেকে হাতিরা পুজাঁ করতে আসে৷ এ ছাড়া ছাং খিয়াং নদীর প্রবাহিত ঝিড়ির অসংখ্যা ঝর্না ধারা দেখা মিলবে৷ চকচকে বালু মিশ্রিত পাথরগুলো দেখে একটু হলেও আপনি বসতে ইচ্ছা করবে৷ ঝর্নার পানির স্্রোতে বাতাসের কম্বন গজে উঠার অনেক লতা, পাতা আপনাকে স্বাগতম জানাচ্ছে৷ নিস্পাপ মনে কন্ঠ ছাড়া বলছে, অজানার কিছু কাহিনী৷ বাংলাদেশ সেনা বাহিনী উদ্দ্যোগে নির্মZ SzjšÍ eªxR| wKQzÿb `vwo‡q _vK‡j gvby‡li hvZvqv‡Zi eªxR †`vjbvi mv‡_ িAাপনার মনকে দৌলা দিতে পারে৷ কাপ্তাই খালের পার্শ্বে গোখড়া সাপের গুহায় সাপের রাজত্ব চিত্র বলে দিবে আপনার মনকে৷ তং. মং হ্ন মা (ভাইবোন) পাহাড়টি উপজেলার সবচেয়ে উচু পাহাড়৷ সেখানে দাড়িয়ে দেখলে মিলবে না িন্দত বৈচিত্র পাহাড়ের রুপ৷ কাপ্তাই জল বিদ্যুত্  কেন্দ্র যেন, নজর কেড়ে নিবে৷ দেখা যাবে জোনাকির ঝিলিমিলি বিনোদন আসর৷ বিলাইছড়ি ফারুয়া বাজার আর হ্রদের পানি ক্ষনিকের জন্য মনের শান্তনা করে দেয়৷ চার িদকে তাকালে প্রাকৃতিক দৃশ্য আপনাকে কিছু বলার ও লিখার অভিনন্দন জানাচ্ছে৷ বলি পাড়া, অদৃশ্য শ িক্ত অধিকারী যে কোন একজন পাল্লাক্রমে পেয়ে থাকে৷ তাই বলি পাড়া নামে খ্যাতি৷ এখনো ত্রিপুরা সম্প্রদায়ে একজন শারীরিক শ িক্তধর রয়েছে৷ তবলা ম্্রং (সিন্দুকঝিড়ি) পাথরে খ িদত একটি সিন্দুক৷ সেখানে নানা রকমের ধন, দোলক, মূল্যবান সম্পদ রয়েছে বলে এখানকার মানুষের বিশ্বাষ৷ ফাগুন, চৈত্র মাসের প্রচন্ড গরমে এ ঝিড়িতে ঠান্ডা আবহাওয়া থাকে৷